| প্রচ্ছদ

শেরপুরে আ.লীগের বর্ধিত সভায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও হাতাহাতি : আহত ১০

শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি
পঠিত হয়েছে ৬৫ বার। প্রকাশ: ০৫ অক্টোবর ২০১৯ ।

বগুড়ার শেরপুরে ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভায় দু’পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১০জন আহত হয়েছেন। এরমধ্যে গুরুতর দুইজনকে উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁরা হলেন- ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী আগলু ও আ.লীগ কর্মী আবু সিদ্দিক। আর বাকিদেরকে স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।


শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলার শাহবন্দেগী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের উদ্যোগে আয়োজিত ৩নং ওয়ার্ডের বর্ধিত সভায় এই হট্টগোলের ঘটনা ঘটে। দলীয় নির্দেশনা অনুযায়ী নতুন সদস্য ভর্তি ও পুরাতন সদস্য নবায়ন করতেই স্থানীয় কানাইকান্দর উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাকক্ষে এই সভা ডাকা হয়। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আ.লীগ কর্মী আবু সিদ্দিক জানান, বর্ধিতসভার শেষপর্যায়ে ৩০-৩৫টি মোটরসাইকেল যোগে কিছু বহিরাগত সন্ত্রাসী অতর্কিতভাবে হামলা চালায়। একপর্যায়ে তারা বাধা দেয়ার চেষ্টা করলে তাদের বেধড়ক মারপিট করে গুরুতর আহত করেছে। ঘটনাটি নিয়ে দলের ঊর্ধ্বতন নেতাদের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেবেন বলে জানান তিনি।


জানতে চাইলে শাহবন্দেগী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান রিপন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী শাহবন্দেগী ইউনিয়নে নতুন সদস্য সংগ্রহ ও পুরাতন সদস্য নবায়ন কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ইউনিয়নের নয়টি ওয়ার্ডে বর্ধিত সভার আয়োজন করা হয়েছে। ইতিমধ্যে দুইটি ওয়ার্ডের বর্ধিত সভা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্নও হয়েছে। কিন্তু ৩নং ওয়ার্ডের বর্ধিত চলাকালে বহিরাগত উচ্ছৃঙল ব্যক্তি হান্নান, মান্নান, নুরু ও জাকির নেতৃত্বে ৫০-৬০জন ব্যক্তি সভায় হামলা চালায়। এমনকি সভায় উপস্থিত নেতাকর্মীদের বেধড়ক মারপিট করে আহত করা হয়েছে বলে জানান তিনি।


তবে নিজেকে শাহবন্দেগী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি দাবি করে আব্দুল হান্নান এ প্রসঙ্গে বলেন, তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে নতুন সদস্য ভর্তি ও পুরাতন সদস্য নবায়ন করতে বলা হয়েছে। কিন্তু ইউনিয়নের সভাপতি-সম্পাদক কাউকে কিছু না জানিয়ে এককভাবে নিজেদের লোকদের সঙ্গে নিয়ে এই কার্যক্রম চালাচ্ছেন। তাই ওই বর্ধিত সভায় তারা উপস্থিত হয়ে বিষয়টি জানতে চান। কিন্তু তারা কোন কিছু না জানিয়েই সভা শেষ করে চলে যান। মূলত এনিয়ে দলের স্থানীয় নেতাকর্মীর মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়েছে। এছাড়া মারপিটের কোন ঘটনা ঘটেনি। তাই তেমন কোন ঘটনা না ঘটলেও কেউ হাসপাতালে ভর্তি হয়ে নাটক করলে আমাদেরই বা কি করার আছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে শেরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) বুলবুল ইসলাম বলেন, এ ধরণের কোন ঘটনার লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইন আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
 

মন্তব্য