| প্রচ্ছদ

নেই কাজ, তাই সিইসি ধরলেন মাছ!

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ৩৪ বার। প্রকাশ: ০৫ অক্টোবর ২০১৯ ।

জাতীয় পার্টির প্রয়াত চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের মৃত্যুতে শুণ্য হওয়া রংপুর-৩ আসনে শনিবারের উপনির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ছিল কম। 

এ অবস্থায় ‘নেই কাজ তো ধরি মাছ’ পরিস্থিতি যেন নির্বাচন কমিশনে (ইসি)। 

অবসরে মাছ শিকারে নেমে পড়েন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদাসহ প্রায় পুরো কমিশন।

নির্বাচন কমিশনে দুপুরের পর থেকে কর্মচারীরা লেক চত্বর সাজাতে থাকেন। সেখানে আসে সোফা, চেয়ার ইত্যাদি। একটু পর আনা হয় ছয়টি বড়শি। ময়দা দিয়ে তৈরি হয় মাছের টোপ। বেলা সোয়া ৩টার দিকে নির্বাচন ভবনের ওপর থেকে নেমে আসেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা, নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী, ইসি সচিব মো. আলমগীর, অতিরিক্ত সচিব মো. মোখলেছুর রহমানসহ অনেকে।

নির্বাচন কমিশনের লেকে বড়শি ফেলেই মাছ তুলে আনেন সিইসি। অন্যরা যখন একটা মাছও ধরতে পারেননি, সিইসি একাই ততক্ষণে তিনটি মাছ তুলে নিয়েছেন নিজের ঝুলিতে। 

সিইসির বড়শিতে একটু পরপরই মাছ আটকে যাওয়ায় উচ্ছ্বাস প্রকাশে ব্যস্ত হয়ে পড়েন উপস্থিতি কর্মীরা। 

কমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলছেন, প্রকৃত অর্থে নির্বাচন নিয়ে কোনো চাপ বা দুশ্চিন্তা নেই। ভালো নির্বাচন হচ্ছে। 

আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবন ও নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের মাঝে একটু লেক তৈরি করা হয়েছে। ভেতরে আছে ফোয়ারাও। আর এতেই দেশি-বিদেশি নানা প্রজাতির মাছ চাষ করছে ইসি।

রংপুর-৩ আসনের উপনির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী এরশাদপুত্র রাহগির আল মাহি এরশাদ (সাদ) বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হন। বিএনপির রিটা রহমান, স্বতন্ত্র হোসেন মকবুল শাহরিয়ার আসিফ, এনপিপির শফিউল আলম, গণফ্রন্টের কাজী মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ এবং খেলাফত মজলিশের তৌহিদুর রহমান মন্ডল এতে অংশগ্রহণ করেন।

এ আসনে শনিবার ভোট পড়েছে ২১ শতাংশের কিছু বেশি।

মন্তব্য