| প্রচ্ছদ

ডেঙ্গুতে আরও দু'জনের মৃত্যু

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ১৯ বার। প্রকাশ: ০৬ অক্টোবর ২০১৯ ।

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে এক যুবক এবং মাগুরার শ্রীপুরে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মারা গেল ২৩৮ জন। তবে ডেঙ্গুজনিত কারণে ৮১ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করেছে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) ডেথ রিভিউ কমিটি। রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন ৩১৪ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম জানায়, নতুন রোগীর মধ্যে ঢাকায় ৭৩ জন এবং বাকি ২৪১ জন ঢাকার বাইরে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৮৯ হাজার ৯৩০ জন। তাদের মধ্যে ৮৮ হাজার ৩৫৬ জন চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল ছেড়েছেন। সে হিসাবে বর্তমানে দেশের হাসপাতালগুলোতে এক হাজার ৩৩৮ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি আছেন। তাদের মধ্যে ঢাকায় চিকিৎসা নিচ্ছেন ৪৭০ জন।

দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি জানান, কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শামীম বিশ্বাস (২৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি উপজেলার রিফায়েতপুর ইউনিয়নের ঝাউদিয়া কাগহাটি গ্রামের রফিকুল বিশ্বাসের ছেলে। কয়েকদিন আগে শামীমের জ্বর হয়েছিল। চিকিৎসায় সুস্থ হওয়ার দু'দিন পর আবার অসুস্থ হলে শনিবার তাকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে রাত সাড়ে ১১টার দিকে মারা যান তিনি।

গত সেপ্টেম্বরে দৌলতপুর উপজেলার ছাড়ারপাড়া ও শ্যামনগর গ্রামে ডেঙ্গুর ভয়াবহ প্রকোপ ছড়িয়ে পড়েছিল। ৩১ আগস্ট আইইডিসিআরের চার সদস্যের বিশেষজ্ঞ দল দু'দিন ধরে দৌলতপুর উপজেলায় গিয়ে সরেজমিন রোগের কারণ অনুসন্ধান ও তথ্য সংগ্রহ করেন। সরকারি-বেসরকারি নানা উদ্যোগে ডেঙ্গুর প্রকোপ কমলেও কিছুদিন ধরে আবার বেড়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা অরবিন্দু পাল বলেন, আক্রান্তদের প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবার পাশাপাশি জ্বর হলেই ডেঙ্গু পরীক্ষার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

মাগুরা প্রতিনিধি জানান, শ্রীপুর উপজেলা সাচিলাপুর গ্রামে প্রবাসী উকিল বিশ্বাসের স্ত্রী দুই সন্তানের জননী মাছুমা বেগম (৪০) শনিবার রাতে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। শ্রীপুরের দারিয়াপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রইচজ্জামান জানান, গত ২৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় জ্বরে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন মাছুমা। রক্ত পরীক্ষায় তার ডেঙ্গু ধরা পড়ে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়।

এদিকে, শনিবার সন্ধ্যায় মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে এক ঘণ্টায় একই পরিবারের চারজনসহ ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে পাঁচজন রোগী ভর্তি হন। মেডিকেল অফিসার ডা. মশিউর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

 

মন্তব্য