| প্রচ্ছদ

ফের তুরস্কের অর্থনীতি ধ্বংস করে দেওয়ার হুমকি ট্রাম্পের

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ২৩ বার। প্রকাশ: ০৮ অক্টোবর ২০১৯ ।

‘সীমা অতিক্রম করলে’ ফের তুরস্কের অর্থনীতি ধ্বংস করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

‘সেইফ জোন’ প্রতিষ্ঠায় তুরস্কের অভিযানের মুখে উত্তর সিরিয়া থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের আকস্মিক সিদ্ধান্তের পর তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।

বিবিসি জানায়, ধারাবাহিক ক্ষুব্ধ টুইটে ট্রাম্প সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের পক্ষে কথা বলেন। এই সিদ্ধান্তের ফলে সীমান্তবর্তী এলাকায় কুর্দি যোদ্ধাদের বিরুদ্ধে তুরস্কের অভিযান পরিচালনার পথ উন্মুক্ত হলো।

সিরিয়ায় ইসলামিক স্টেট-আইএস জঙ্গিদের পরাজিত করার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ মিত্র ছিল কুর্দি যোদ্ধারা। এজন্য ট্রাম্পের সেনা সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্তের সমালোচনা করছেন তার রিপাবলিকান মিত্ররাও।

সিরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ১,০০০ সেনা রয়েছে। তুর্কি সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে দুই ডজনের মতো সেনা সরিয়ে নেওয়া হতে পারে বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা জানিয়েছেন। খবর দেশ রুপান্তর অনলাইন

এদিকে সেনা সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে মূল কুর্দি গ্রুপ একে ‘পিঠে ছুরি মারার’ শামিল বলে মন্তব্য করেছে।

অন্যদিকে সোমবার এক টুইটে তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, ‘অভিযানের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন। এ ধরনের একটি এলাকা (সেইফ জোন) প্রতিষ্ঠা সিরীয় নাগরিক এবং এই অঞ্চলের শান্তির জন্য আবশ্যক।’

তার সিদ্ধান্তকে সুযোগ হিসেবে না নিতে তুরস্ককে সতর্ক করে দিয়ে ট্রাম্প বলেন, এমনটি হলে তিনি দেশটির অর্থনীতি ‘ধ্বংস করে দেবেন, মুছে ফেলবেন’।

তিনি বলেন, ‘আমি দৃঢ়ভাবে বলেছি এবং এখন কেবল পুনর্ব্যক্ত করছি- তুরস্ক যদি এমন কিছু করে যা সীমা ছাড়িয়ে যাওয়া বলে বিবেচিত হবে, তাহলে আমি তুরস্কের অর্থনীতি পুরোপুরি ধ্বংস করে দেব, মুছে ফেলব (যেমনটা আমি আগে করেছি)।’

তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোয়ানের বিরুদ্ধে ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থানে জড়িত থাকার অভিযোগে একজন মার্কিন ধর্মযাজককে গ্রেপ্তার করায় গত বছর তুরস্কের বিভিন্ন পণ্যের ওপর শুল্কারোপ এবং দেশটির কয়েকজন মন্ত্রীর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন ট্রাম্প। এতে তুরস্কের অর্থনীতি বড় ধরনের ধাক্কা খায়।

মন্তব্য