ঢাকা ছাড়ার আগে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানালেন হামজা

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
প্রকাশ: ২৭ মার্চ ২০২৫ ২০:৫১ ।
খেলাধুলা
পঠিত হয়েছে বার।

এলেন-দেখলেন-জয় করলেন! মাটি ও মানুষের গন্ধে এসেছিলেন বাংলাদেশে। সঙ্গে এনেছিলেন ভিন্ন সংস্কৃতিতে বেড়ে উঠা স্ত্রী অলিভিয়া চৌধুরীকেও। মাত্র কয়েক দিনের সফরে এদেশের মানুষের ভালোবাসায় প্রেমে পড়ে গেছেন হামজা চৌধুরী ও তার পত্মী। দেশ ছাড়ার আগে জানিয়ে গেছেন ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।  


হামজা চৌধুরী। এক নাম, এক আবেগ, এক বিস্ময়। সুদূর ইংল্যান্ড থেকে শিকড়ে টান অনুভব করে ছুটে এলেন তিনি। মাটি ও মানুষের সুর ডেকেছিল তাকে, আর তিনি সাড়া দিলেন হৃদয়ের সবটুকু উজাড় করে। বাংলাদেশের জার্সি গায়ে চাপিয়ে ভারতের বিপক্ষে নেমে পড়লেন যুদ্ধের ময়দানে।

স্বল্প, খুবই স্বল্প ছিল এই সফর। এক সপ্তাহও হয়নি! তবু তাতে কি? যে ভালোবাসা তিনি পেয়েছেন, যে আবেগের ঢেউ ছুঁয়ে গেছে তাকে- তা কি সময়ের দৈর্ঘ্যে মাপা যায়? দেশ ছাড়ার আগে শুধু ধন্যবাদ নয়, এর চেয়েও বেশি কিছু দিয়ে গেছেন তিনি।

হামজা চৌধুরী বলেন, শুধুই ধন্যবাদ। যা হয়েছে তার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ। জুনে আমি আবারও আসব। আমার শারীরিক সুস্থতা এবং সন্তানের জন্য দোয়া করবেন। জুনের দুটি বড় ম্যাচের সময় দেখা হবে। 


এক হামজা- একেবারে বদলে দিল বাংলার ফুটবলের রূপ। ১৭ মার্চ, যখন হামজা বাংলার মাটিতে পা রাখলেন, তখন থেকেই যেন দেশের ফুটবলের আকাশে নতুন সূর্যোদয় হলো। দিনের পর দিন কেবল হামজাময় ছিল বাংলাদেশ! যেখানে গেছেন, সেখানেই উন্মাতাল ভিড়। উন্মাদনার রঙে রাঙানো জনস্রোত! 

এক মুহূর্তের জন্যও তিনি বিরক্ত হননি। হাসিমুখে মিশে গেছেন মানুষের হৃদয়ে, দিয়েছেন সময়, দিয়েছেন ভালোবাসা। আর তার পাশে অলিভিয়া চৌধুরী- এক আলোকিত অধ্যায়। বাঙালির আতিথেয়তায় মুগ্ধ, বিস্মিত। তিনি দেখেছেন, কেমন করে এই জনপদের মানুষ আপন করে নেয়, ভালোবাসার বাঁধনে বেঁধে ফেলে। 

হামজা এসেছিলেন, দেখেছেন, ভালোবেসেছেন- আর সেই ভালোবাসা সঙ্গী করেই ফিরে যাচ্ছেন। কিন্তু এ গল্প এখানেই শেষ নয়। জুনের অপেক্ষায় বাংলাদেশ।