বগুড়ার সাতটি আসনে তারেক রহমানসহ বিএনপির জয় জয়কার

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০১:৫২ ।
প্রধান খবর
পঠিত হয়েছে বার।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়ার সাতটি আসনেই বিএনপি প্রার্থীরা জয়লাভ করেছেন। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে বৃহস্পতিবার রাত থেকে গভীর রাত পর্যন্ত পাওয়া ফলাফলে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। সংশ্লিষ্ট সব আসনের ফলাফলে পোস্টাল ব্যালট যুক্ত করা হয়েছে।

 

 

বগুড়া-৬ (সদর):

এই আসনে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ধানের শীষ প্রতীকে ২ লাখ ১৬ হাজার ২৮৪ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের আবিদুর রহমান পেয়েছেন ৯৭ হাজার ৬২৬ ভোট।

অন্যদের মধ্যে হাতপাখা প্রতীকের আবু নুমান মো. মামুনুর রশিদ ২ হাজার ৫০৮, বাসদের দিলরুবা নুরী মই প্রতীকে ২৭৬ এবং জেএসডির আব্দুল্লাহ আল ওয়াকি তারা প্রতীকে ২৭৬ ভোট পেয়েছেন। এ আসনে ১৫০টি কেন্দ্রে ৩ লাখ ১৭ হাজার ৪৮৯ জন ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন, যা শতকরা ৭১ দশমিক ৩ শতাংশ।

 

বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা):

 

বিএনপির কাজী রফিকুল ইসলাম ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৬৯ হাজার ৮৬১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মো. শাহাবুদ্দিন পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৯৩৩ ভোট।

 

 

বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ):

 

বিএনপির মীর শাহে আলম ১ লাখ ৪৫ হাজার ২৪ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী মাওলানা শাহাদাতুজ্জামান পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৫৪৮ ভোট।

জাতীয় নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না কেটলি প্রতীকে পেয়েছেন ৩ হাজার ৪২৬ ভোট।

এ আসনে ২ লাখ ৪৩ হাজার ৮০২ জন ভোটার ভোট দেন, যা শতকরা ৭২ দশমিক ৬৩ শতাংশ।

 

 

বগুড়া-৩ (দুপচাঁচিয়া-আদমদীঘি):

 

হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে বিএনপির আব্দুল মহিত তালুকদার ১ লাখ ২৭ হাজার ৪০৬ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের নূর মোহাম্মদ পান ১ লাখ ১১ হাজার ২৬ ভোট।

১১৮টি কেন্দ্রে ২ লাখ ৪১ হাজার ৭১৬ জন ভোট দেন, যা শতকরা ৭২ দশমিক ৬৭ শতাংশ।

 

 

বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম):

 

বিএনপির মোশারফ হোসেন ১ লাখ ৫৫ হাজার ৩৩৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। জামায়াত প্রার্থী মোস্তফা ফয়সাল পেয়েছেন ১ লাখ ৮ হাজার ৯৭৮ ভোট।

এ আসনে ১১৫টি কেন্দ্রে ২ লাখ ৬৮ হাজার ৩৭৮ জন ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন, যা শতকরা ৭৫ দশমিক ৮৯ শতাংশ।

 

 

বগুড়া-৫ (শেরপুর-ধুনট):

 

বিএনপির জিএম সিরাজ ২ লাখ ৪৮ হাজার ৮৪১ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী দবিবুর রহমান পেয়েছেন ১ লাখ ৪৩ হাজার ৩২৯ ভোট।

এ আসনে ৪ লাখ ৬৪৪ জন ভোটার ভোট দেন, যা শতকরা ৭১ দশমিক ৫০ শতাংশ।

 

 

বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাজাহানপুর):

 

 

বিএনপির মোর্শেদ মিলটন ২ লাখ ৬২ হাজার ৫০১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের গোলাম রব্বানী পেয়েছেন ১ লাখ ১৫ হাজার ১৮৪ ভোট।

১৭৩টি কেন্দ্রে ৩ লাখ ৮০ হাজার ২৫০ জন ভোটার ভোট দেন, যা শতকরা ৭১ দশমিক ৮৬ শতাংশ।

 

 

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো: তৌফিকুর রহমান জানান, ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী সাতটি আসনেই বিএনপি প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন এবং সব ফলাফলে পোস্টাল ব্যালটের ভোট অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।