বগুড়ায় বাসি তরকারি খেয়ে গৃহবধূর মৃত্যুর অভিযোগ, অসুস্থ ৩

প্রকাশ: ২৫ অগাস্ট ২০২৬ ১৯:১১ ।
পঠিত হয়েছে ৪৯ বার।

বগুড়ার ধুনট উপজেলায় বাসি পাঙাশ মাছের তরকারি খেয়ে খাদ্যে বিষক্রিয়ায় শাহীনুর খাতুন (৪৫) নামের এক গৃহবধূর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। একই খাবার খেয়ে তাঁর স্বামী, মেয়ে ও জামাই অসুস্থ হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে মেয়ের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

 

সোমবার (২৫ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শাহীনুর খাতুনের মৃত্যু হয় বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। তিনি ধুনট উপজেলার ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়নের মরিচতলা গ্রামের সাইফুল ইসলামের স্ত্রী।

 

 

পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, শনিবার বিকেলে সাইফুল ইসলাম স্থানীয় মরিচতলা বাজার থেকে পাঙাশ মাছ কিনে বাড়িতে নিয়ে যান। রাতে ওই মাছের তরকারি রান্না করে পরিবারের চার সদস্য সাইফুল ইসলাম, তাঁর স্ত্রী শাহীনুর খাতুন, মেয়ে সাথী খাতুন (২২) ও জামাই সুমন হাসান (২৬) ভাতের সঙ্গে খান। পরে কিছু তরকারি বেঁচে গেলে তা রান্নাঘরে রেখে দেওয়া হয়।

 

 

পরদিন রোববার সকালে ওই তরকারি আবার গরম করে চারজন ভাতের সঙ্গে খান। পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, খাবার খাওয়ার প্রায় এক ঘণ্টা পর থেকেই তাঁরা অসুস্থ হয়ে পড়েন। প্রথমে স্থানীয় পল্লিচিকিৎসকের কাছে তাঁদের চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে সোমবার সকালে তাঁদের ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁদের বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

 

সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে শাহীনুর খাতুনের মৃত্যু হয় বলে স্বজনেরা জানান। তাঁর স্বামী সাইফুল ইসলাম ও জামাই সুমন হাসান চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়েছেন। তবে সাথী খাতুনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

 

 

ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সাজ্জাদ কাদির বলেন, খাদ্যে বিষক্রিয়ায় অসুস্থ হয়ে একই পরিবারের চারজন হাসপাতালে এসেছিলেন। তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

 

 

ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম বলেন, খাদ্যে বিষক্রিয়ায় এক নারীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে বলে তাঁরা জানতে পেরেছেন। তবে পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ করা হয়নি। এ কারণে এ ঘটনায় এখনো কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।


আরও পড়ুন