তারেক রহমানের হাত ধরেই দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে- আবু হাসান

স্টাফ রিপোর্টার
বগুড়ার খবর
পঠিত হয়েছে বার।

বগুড়া জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসান বলেছেন, আমাদের দেশের প্রায় ৪০ শতাংশ মানুষ কৃষির সঙ্গে জড়িত এবং প্রায় ৪ কোটি পরিবার কোনো না কোনোভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কৃষক ভালো থাকলে দেশও ভালো থাকবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আজ পহেলা বৈশাখে প্রথম পর্যায়েই ২২ হাজার কৃষকের মধ্যে কৃষক কার্ড বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়াও নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ইতোমধ্যে কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করা হয়েছে। যার মাধ্যমে এবছর সত্যিকার অর্থেই সাধারণ কৃষকের ঘরে বৈশাখী আনন্দ বইছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যা বলেন অবশ্যই সেই ওয়াদা পূরণ করেন। তার হাত ধরেই পর্যায়ক্রমে এই দেশের মানুষের ভাগ্যের ইতিবাচক পরিবর্তন এবং সামগ্রিক উন্নয়ন সাধিত হবে।

বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন উপলক্ষে মঙ্গলবার সকালে বগুড়ার গাবতলী উপজেলার জিয়ানগর মাস্টারমাইন্ড স্কুলের আয়োজনে বৈশাখী পান্তা উৎসব, বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের জীবনে সফলতার পথে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা জানিয়ে আবু হাসান আরো বলেন, আধুনিক বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে নিজেদেরকে আগামীর জন্য প্রস্তুত করতে হবে। সোশ্যাল মিডিয়ার অপব্যবহার না করে পাঠ্যপুস্তক থেকে শুরু করে ইন্টারনেটের বিশাল জগত থেকে ইতিবাচক জ্ঞান আহরণ করতে হবে। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর এই যুগে নিজেদেরকে দক্ষ করে গড়ে তোলার কোন বিকল্প নেই। আমরা যেহেতু মনের মত একজন প্রধানমন্ত্রী পেয়েছি তার বাংলাদেশকে নিয়ে স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য অবশ্যই আমাদের প্রজন্মকে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবেও গড়ে তুলতে হবে।

গাবতলী পৌর বিএনপি'র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাবতলী পৌরসভার সাবেক মেয়র সাইফুল ইসলাম, গাবতলী পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম পিন্টু, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হাবিবুর রশিদ সন্ধান, মাস্টারমাইন্ড স্কুলের পরিচালক আব্দুল আলিম ও অধ্যক্ষ মোবারক আলী।

আয়োজনে বাঙালিআনায় মোড়ানো লোকজ সংস্কৃতির নানা খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করেন প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীরা। একই সাথে পহেলা বৈশাখ বরণে প্রায় পাঁচ শতাধিক মানুষ পান্তা ইলিশ ভোজন করেন বর্ষবরণ এই আয়োজনে। পরিশেষে বিভিন্ন ইভেন্টে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার তুলে দেন প্রধান অতিথিসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দরা। নিজেদের সংস্কৃতিকে বুকে ধারণ করে ভবিষ্যতেও এমন প্রাণবন্ত আয়োজনের প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।