নাগরিক সেবায় তুচ্ছতাচ্ছিল্য নয়, দায়িত্বশীল হওয়ার তাগিদ: ডিসি বগুড়া

প্রকাশ: ৩০ জুলাই ২০২৬ ১৯:৪৬ ।
বগুড়ার খবর
পঠিত হয়েছে বার।

উন্নয়ন কর্মকান্ডের অগ্রগতি, নাগরিক সেবা আরও গতিশীল ও কার্যকর করার তাগিদ দিয়েছেন বগুড়া জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. তৌফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, সেবা প্রত্যাশী নাগরিকের কথাগুলো মনোযোগ দিয়ে শুনতে হবে। কাউকেই তুচ্ছতাচ্ছিল্য করা যাবে না। আধুনিক সেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীলতা, স্বচ্ছতাসহ জবাবদিহিতার সঙ্গে জনগণের কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান। 

 

গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে বগুড়ার নন্দীগ্রাম পৌরসভার ধান সিঁড়ি সভাকক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দিকনির্দেশনা দেন। সভাপতিত্ব করেন পৌরসভার প্রশাসক (ইউএনও) শারমিন আরা। প্রশাসনিক কার্যক্রম, নাগরিক সেবার মানোন্নয়ন, উন্নয়ন কর্মকান্ডের অগ্রগতি, মশক নিধন কার্যক্রম জোরদার, মহল্লার জলাবদ্ধতা নিরসনে পরিকল্পিত ব্যবস্থাপনাসহ জনসেবাকে গতিশীল ও কার্যকর করার বিষয়ে আলোচনা হয়। 

 

মতবিনিময় সভায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রোহান সরকার, পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীন মাহমুদ, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডা. ইকবাল মাহমুদ লিটন, প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার সরদার ফজলুল করিম, থানার ওসি তারিকুল ইসলাম, পৌরসভার ওয়ার্ড সহায়ক সমাজসেবা অফিসার গোলাম মোস্তফা, নন্দীগ্রাম উপজেলা প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাসেল মাহমুদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহীন আলম সাজু, উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান তারেক এবং পৌরসভার কর্মকর্তা কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। 

 

জেলা প্রশাসক নন্দীগ্রাম পৌরসভা পরিদর্শন প্রাক্কালে সার্বিক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে দিকনির্দেশনা দেন। তিনি পৌরসভা ও উপজেলা ভূমি অফিস চত্বরে বৃক্ষরোপণ করেন। এরআগে, উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়, বৈলগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন, ৫৩জন শিক্ষার্থীর মাঝে স্কুলব্যাগ বিতরণ, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার খাল খনন, পুনঃখনন ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পের কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন। 

 

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির কর্মসূচি উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ দুটি খাল পুনঃখনন কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বুড়ইল ইউনিয়নের সিধইল খাল ও ভাটরা ইউনিয়নের শালুকা খাল পুনরুদ্ধারে সরকারি বরাদ্দ ছিল ১ কোটি ২৩ লাখ টাকা। কাজ শেষে অর্থ সাশ্রয়ের বাড়তি (অব্যয়িত) ৬০ লাখ টাকারও বেশি সরকারি কোষাগারে ফেরত পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।