বগুড়ার শেরপুরে জামায়াতের রুকন সম্মেলন
শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বগুড়ার শেরপুর উপজেলা শাখার উদ্যোগে সদস্য (রুকন) সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্মেলনে সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম, বিভিন্ন ক্ষেত্রে অগ্রগতি, দুর্বলতা চিহ্নিতকরণ এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও পর্যালোচনা করা হয়।
শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল ৯টায় উপজেলার হামছায়াপুরে উপজেলা জামায়াতের দলীয় কার্যালয়ে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন শেরপুর উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মো. দবিবুর রহমান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি প্রভাষক মো. আব্দুল্লাহ আল মোস্তাফিধ নাসিম।
সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও বায়তুলমাল সম্পাদক অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বগুড়া জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যাপক মো. আব্দুল বাছেদ।
সম্মেলনে বক্তারা সংগঠনের তৃণমূল পর্যায়ের কার্যক্রম আরও গতিশীল করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে সাংগঠনিক দুর্বলতা কাটিয়ে সদস্যদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের মাধ্যমে সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানানো হয়।
আয়োজকরা জানান, শেরপুর উপজেলার ছয় শতাধিক রুকনের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের কার্যক্রম, সদস্যদের সাংগঠনিক তৎপরতা, কাজের অগ্রগতি ও বিদ্যমান দুর্বলতা নিয়ে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়েও মতবিনিময় করেন নেতারা।
সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন শেরপুর উপজেলা জামায়াতের সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা মো. নাজমুল হক ও মো. রেজাউল করিম বাবলু, সহকারী সেক্রেটারি মো. শফিকুল ইসলাম ও শাহীন আলম, অফিস সম্পাদক অধ্যক্ষ শেখ আ. মান্নান ও বজলুর রহমান, উপজেলা ওলামা-মাশায়েখ পরিষদের সভাপতি মাওলানা মো. আ. ছাত্তার, আইনবিষয়ক সম্পাদক মো. আব্দুল হক, তারবিয়্যাত সেক্রেটারি মাওলানা মো. আমিনুল ইসলাম, শিক্ষক পরিষদের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক মো. রফিকুল ইসলাম, প্রচার ও মানবসম্পদ সেক্রেটারি মো. ইফতেখার আলম, কর্মপরিষদ সদস্য মো. সাইফুল ইসলাম সাখাওয়াত, শফিকুর রহমান, জহির রায়হানসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
উদ্বোধনী বক্তব্যের পর সম্মেলনে দারসুল কোরআন পেশ করেন বগুড়া জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা মো. আবু বকর সিদ্দিক।
সম্মেলনে অংশ নেওয়া সদস্যরা সংগঠনের আদর্শ, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ও দায়িত্বশীলতার বিষয়ে আলোচনা করেন এবং ভবিষ্যতে সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও জোরদারের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।