বগুড়ায় নন্দীগ্রামের ওসিসহ তিন পুলিশ কর্মকর্তা প্রত্যাহার

নন্দীগ্রাম( বগুড়া) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২৮ অগাস্ট ২০২৫ ২৩:০১ ।
প্রধান খবর
পঠিত হয়েছে বার।

বগুড়ার নন্দীগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাহারুল ইসলামসহ তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। প্রত্যাহার করা ওসি মোজাহারুল ইসলামকে রাজশাহী রেঞ্জ রিজার্ভ ফোর্সে (আরআরএফ) সংযুক্ত করা হয়। এছাড়া পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আবু মুসাকে গাবতলী থানায় বদলি ও এসআই নাজমুল হককে বগুড়া পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার ২৬ আগস্ট রাতে রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজি ও বগুড়ার পুলিশ সুপারের স্বাক্ষর করা এক আদেশে তিনজনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

 

এর পূর্বে জাসদ নেতা ও বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য রেজাউল করিম তানসেনের ছোট ভাই মাহবুবর রহমান রুস্তমকে গ্রেপ্তার পর থানায় সমাদর করার অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনায় তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এদিকে বগুড়া জেলা পুলিশ সূত্র জানায়, ২৪ আগস্ট সকালে স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীরা সাবরেজিস্ট্রি অফিসের সামনে থেকে রুস্তমকে আটক করে থানায় সোপর্দ করেন। পরদিন তাঁকে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে দায়ের হওয়া মারধর ও বিস্ফোরকদ্রব্য আইনে দায়েরকৃত মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

 

এ ব্যপারে বগুড়া পুলিশ সুপার জেদান আল মুসা বলেন, জাসদ নেতার গ্রেপ্তারের সঙ্গে ওসিসহ তিন কর্মকর্তার প্রত্যাহারের কোনো সম্পর্ক নেই। থানা-পুলিশকে পুনর্বিন্যাস করা হচ্ছে, যাতে জনগণ ভালো সেবা পান।

 

নন্দীগ্রাম উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলাউদ্দিন সরকার বলেন, রুস্তমকে থানা থেকে কোর্টে পাঠানোর পরিবর্তে পুলিশ সময়ক্ষেপণ করেছে। রাত ১২টার পর জানতে পারি তাকে থানায় সমাদর করা হচ্ছে। পরে আমাদের নেতা-কর্মীরা থানায় গেলে পরদিন তাকে আদালতে পাঠানো হয়।

 

এ বিষয়ে নন্দীগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) দায়িত্বে থাকা এসআই সাইফুল ইসলাম জানান, মাহবুবর রহমান রুস্তমের নামে থানায় কোনো মামলা ছিল না। এক মামলায় রুস্তম আলী নামে একজনকে আসামি করা হয়েছিল কিন্তু বাবার নাম না মিলায় সময় লেগেছে। বাবার নাম ও আসামির নামের মিল না থাকার কারণে রুস্তমকে জানুয়ারিতে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।