বগুড়ায় ভুয়া কাবিনে চারমাস ধর্ষণ, যুবক গ্রেপ্তার
স্টাফ রিপোর্টার
বগুড়ার এক তরুণীকে ভুয়া কাবিনে বিয়ের নাটক সাজিয়ে টানা চারমাস ধর্ষণের অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মোবাইলে প্রেমের সম্পর্কের টানে তারা পালিয়ে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে ভাড়া বাসায় বসবাস করতো। কথিত কাবিননামা ঘিরে প্রশ্ন উঠতেই ঘটে বিপত্তি। প্রেমিকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছে প্রতারণার শিকার তরুণী।
বৃহস্পতিবার বিকালে র্যাব-১২ বগুড়ার কোম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট ওয়াহিদুজ্জামান জানান, বুধবার ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা পানাইল স্কুলপাড়া এলাকা থেকে অভিযুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলার পর থেকেই তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। গ্রেপ্তার মামুন শেখ (২২) আলফাডাঙ্গার পানাইল এলাকার ইসলাম শেখের ছেলে। তাকে বগুড়া সদর থানায় হস্তান্তর করেছে র্যাব।
মামলার বিবরণে বলা হয়, মোবাইলে প্রেমের সম্পর্ক এবং বিয়ের প্রলোভনে গত ২৯ মে তরুণীকে অপহরণ করে ঢাকায় নিয়ে যায় অভিযুক্ত মামুন শেখ। সেখানকার এক ব্যক্তিকে কাজী সাজিয়ে কথিত কাবিনে তাদের বিয়ে হয়। পাঁচ লাখ টাকা কাবিন করা হয়েছে জানিয়ে তরুণীর স্বাক্ষরও নেয়। তারা স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে ঢাকার হেমায়েতপুরে একটি ভাড়া বাসায় তিনমাস বসবাস করে। ৩ সেপ্টেম্বর কথিত স্বামীকে নিয়ে বগুড়ার ইসলামপুরে পিতার বাড়িতে যায় তরুণী। অভিভাবকরা বিয়ের কাবিননামা দেখতে চাইলে ২৭ সেপ্টেম্বর পালিয়ে যায় অভিযুক্ত মামুন। অপহরণের পর দীর্ঘ চারমাস ধর্ষণের অভিযোগে বগুড়ার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের শরণাপন্ন হয় তরুণী। জেলা ও দায়রা জজ আনোয়ারুল হকের আদেশে গত ১ নভেম্বর মামলা রেকর্ড করে বগুড়া সদর থানা।