হাইকোর্টে রিট খারিজ, বগুড়া-১ আসনে বিএনপি প্রার্থী কাজী রফিকের নির্বাচনে আর বাধা নেই
স্টাফ রিপোর্টার
বগুড়া-১ (সোনাতলা-সারিয়াকান্দি) সংসদীয় আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত ও বৈধ ঘোষিত প্রার্থী কাজী রফিকুল ইসলামের মনোনয়ন বাতিল চেয়ে দায়ের করা রিট খারিজ করেছেন হাইকোর্ট। এতে করে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে তার আর কোনো আইনি বাধা রইল না।
রবিবার (১১ জানুয়ারি) হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ শুনানি শেষে রিটটি খারিজ করে দেন।
জানা গেছে, সোনাতলার জনৈক ব্যক্তি বিএনপি প্রার্থী কাজী রফিকুল ইসলামের প্রার্থীতা বাতিল চেয়ে রিট করেন। রোববার সকালে চূড়ান্ত শুনানি শেষে আদালত সেই রিট খারিজ করে দেন।
এর ফলে বগুড়া-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিতে কাজী রফিকুল ইসলামের আর কোনো বাধা থাকল না।
এই রায়ের খবরে সোনাতলা ও সারিয়াকান্দি এলাকায় বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে আনন্দ ও উল্লাস দেখা গেছে। নেতাকর্মীরা বলেন, কাজী রফিক এমপি থাকাকালীন সময়ে সারিয়াকান্দিতে যমুনার ভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নিয়েছিলেন। দুই উপজেলার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করেছেন। আবারো তিনি প্রার্থী হয়েছেন। তিনি শুধু বিএনপির নয় দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে বিপুল ভোট পেয়ে বিজয়ী হবেন। উল্লেখ্য
গত বছরের ৩ নভেম্বর আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-১ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির মনোনয়ন পান সাবেক সংসদ সদস্য কাজী রফিকুল ইসলাম। পরে গত ২৮ ডিসেম্বর সারিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মিজ সুমাইয়া ফেরদৌসের কাছে তিনি মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।
এ বিষয়ে কাজী রফিকুল ইসলাম বলেন, বগুড়া-১ সংসদীয় আসনে বিএনপি মনোনীত ও বৈধ ঘোষিত প্রার্থী হিসেবে তার মনোনয়ন বাতিল চেয়ে দায়ের করা রিট পিটিশন নং ২০৬/২০২৬ মহামান্য হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ শুনানি শেষে খারিজ করেছেন। তিনি বলেন, মহান আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমত ও বগুড়ার মানুষের দোয়ায় তিনি বিপুল ভোটে বিজয়ী হবেন বলে আশাবাদী।
তিনি আরও বলেন, অতীতে এমপি থাকাকালীন বিএনপির চেয়ারপার্সন সদ্য প্রয়াত দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়া ও চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দিকনির্দেশনায়, তাদের সার্বিক সহযোগিতায় সোনাতলা ও সারিয়াকান্দি উপজেলার উন্নয়নে কাজ করেছেন। আগামীতে আবারও এলাকার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করবেন।