বগুড়া-৬ উপনির্বাচন: সেলামির নামে টাকা দেওয়া যাবে না ভোটারদের
পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
আসন্ন বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে ইতোমধ্যে প্রচারণায় নেমেছেন প্রার্থীরা। তবে ঈদকে সামনে রেখে প্রার্থীরা সেলামির নামে ভোটারদের নগদ অর্থ দিতে পারবেন না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বুধবার (১৮ মার্চ) ইসি কর্মকর্তারা বিষয়টি জানিয়েছেন।
কর্মকর্তারা বলছেন, নির্বাচনি আচরণবিধি অনুযায়ী, কোনো কিছুর বিনিময়ে ভোটারকে প্রভাবিত করা যাবে না। বিধিমালা-৪ অনুযায়ী, কোনো রাজনৈদিক দল বা প্রার্থী কিংবা তার পক্ষ থেকে অন্য কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান নির্বাচন পূর্ব সময়ে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর নির্বাচনি এলাকায় বসবাসকারী কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা ওই এলাকা বা অন্যত্র অবস্থিত কোনো প্রতিষ্ঠানে প্রকাশ্যে বা গোপনে কোনো প্রকার চাঁদা বা অুনদান বা উপঢৌকন প্রদান করতে বা প্রদানের অঙ্গীকার করতে পারবেন না। এক্ষেত্রে ঈদকে সামনে রেখে সেলামির নাম দিয়ে নগদ অর্থ প্রদান করে ভোটারদের প্রভাবিত করলে তা এই বিধি লঙ্ঘন হবে।
বিধিমালার বিধি ২৭ অনুযায়ী, নির্বাচন আচরণ বিধিমালা লঙ্ঘন করলে প্রার্থীকে ছয় মাসের কারাদণ্ড অথবা দেড় লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হতে পারে। আবার কোনো দল বিধিমাল লঙ্ঘন দলকেও দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হবে। অন্যদিকে প্রার্থিতা বাতিল হওয়ার মতো অপরাধ হয়ে থাকলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রমাণ পেলে কমিশন সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর প্রার্থিতাও বাতিল করে দিতে পারবে।
ইসি সচিব আখতার আহমেদ এ বিষয়ে বলেন, নির্বাচনি আচরণবিধি প্রার্থীদের অবশ্যই মানতে হবে। অনথ্যায় বিধিমালায় যে শাস্তির কথা বলা আছে, সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বগুড়া-৬ আসনের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা হলেন- বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. আবিদুর রহমান, বিএনপির মো. রেজাউল করিম বাদশা ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির মো. আল আলিম তালুকদার।
এই আসনে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান নির্বাচন করে জয়ী হন। কিন্তু সংসদে একই সঙ্গে দুটি আসনের সদস্য থাকার আইন না থাকায় ঢাকা-১৭ আসনটি ধরে রেখে বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দেন তিনি। পরবর্তী আসনটি শূন্য ঘোষণা করে নতুন করে তফসিল দেয় কমিশন। আগামী ৯ এপ্রিল সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত এ দুই আসনের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করবে সংস্থাটি।