বগুড়া ওয়াইএমসিএ এর আয়োজনে চক্ষু ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
প্রকাশ: ০৭ এপ্রিল ২০২৬ ১৯:৪৫ ।
বগুড়ার খবর
পঠিত হয়েছে বার।

মঙ্গলবার বগুড়া ইয়াং মেনস্ খ্রীষ্টিয়ান এসোসিয়েশন (ওয়াইএমসিএ) এর আয়োজনে ও বগুড়া খ্রীষ্টিয়ান মিশন হাসপাতালের সহযোগিতায় বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার কুতুবপুর এলাকায় অসহায় ও দরিদ্র মানুষের জন্য চক্ষু ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়। 

 

 

ক্যাম্পে চোখ পরীক্ষা, চিকিৎসাপত্র, চশমা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ স্বল্পমূল্যে বিতরণ করা হয়। চক্ষু ক্যাম্পের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ছিল সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মধ্যে চক্ষুজনিত সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা ও তাদের যথাযথ চিকিৎসার আওতায় আনা। 

 

 

ক্যাম্পে আগত রোগীরা তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন, চোখ দিয়ে পানি আসতো, ব্যথাও করতো। টাকার অভাবে ডাক্তার দেখানো হয়নি। স্বল্পমূল্যে চিকিৎসা পেয়ে খুব উপকার হয়েছে। যা আমাদের জন্য এক আশীর্বাদস্বরূপ। 

 

 

বগুড়া ওয়াইএমসিএ-এর নির্বাহী পরিচালক অধ্যক্ষ রবার্ট রবিন মারান্ডীর সাথে আলাপকালে জানান, সকলের সাথে মিলেমিশে জীবনযাপন করার মাঝেই মানবতার প্রকৃত সৌন্দর্য নিহিত, আর পরোপকারই মানুষের শ্রেষ্ঠ গুণ। মানবসেবার মহৎ ব্রত নিয়ে বগুড়া ওয়াইএমসিএ এই মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।

 

 

বগুড়া চার্চ্চেস অব গড মিশনের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ডোনাল্ড দাস বলেন, মানবসেবা পরম ধর্ম। অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমাদের প্রধান দায়িত্ব। দেশের বহু মানুষ চোখের দৃষ্টি সমস্যায় ভুগছেন। সঠিকভাবে দৃষ্টি ফেরানোর লক্ষ্যে আমরা এ ধরনের উদ্যোগ উত্তরাঞ্চলের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বাস্তবায়ন করছি। 

 

 

চক্ষু শিবিরে চিকিৎসা প্রদানকারী মেডিক্যাল টিমের সদস্য প্যারামেডিকস অপথালটিকস মিঃ দীলিপ মারান্ডী বলেন, আমরা রোগীদের চক্ষু সেবা দিচ্ছি। তারা চোখে কম দেখা, ছানি পড়া, চোখে চাপ বেড়ে যাওয়া, চোখ শুষ্ক হয়ে যাওয়া সহ বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছেন। যাদের চোখে ছানি পড়েছে প্রাথমিক চিকিৎসার পাশাপাশি ছানি অপারেশনের জন্য রোগীদের তালিকাও করা হয়েছে এবং তাদেরকে স্বল্পমূল্যে চোখের দৃষ্টি ফেরাতে চক্ষু অপারেশনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বগুড়া খ্রীষ্টিয়ান মিশন হাসপাতাল উত্তরাঞ্চল জুড়ে নিম্নআয়ের মানুষদের জন্য এ ধরনের উদ্যোগ দীর্ঘদিন যাবত বাস্তবায়ন করে আসছে। মিশন হাসপাতালের এ ধরনের উদ্যোগ মানুষের হৃদয়ের মণিকোঠায় স্থান পেতে সক্ষম হয়েছে। 

 

 

বগুড়া ওয়াইএমসিএ'র ইপকপ প্রকল্পের ব্যবস্থাপক জাকির হোসেনের তত্ত্বাবধানে এ চক্ষু ক্যাম্প পরিচালিত হয়।