বগুড়ায় জামায়াতের ২ দিনব্যাপী শিক্ষাশিবির অনুষ্ঠিত
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম বলেছেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও জনগণের দাবি আদায়ে সংসদ ও রাজপথে ভূমিকা রাখবে জামায়াতে ইসলামী। সরকার যদি জনগণের দাবি ও জুলাই সনদের বিষয়গুলো উপেক্ষা করে, তাহলে গণমানুষকে সঙ্গে নিয়ে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলবো এবং সরকারকে দাবি মানতে বাধ্য করা হবে। তিনি শুক্রবার বগুড়ার কলোনীস্থ শাহওয়ালী উল্লাহ মিলনায়তনে বগুড়া মহানগর জামায়াতের ২ দিনব্যাপী রুকন শিক্ষা শিবিরের প্রধান অতিথির বক্তব্যে দায়িত্বশীলদের উদ্দেশ্যে একথা বলেন।
মাওলানা আব্দুল হালিম আরো বলেন, জামায়াতে ইসলামী এ দেশে ন্যায় ও ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার যে উদ্দেশ্যে কাজ করছে সেক্ষেত্রে আমাদের একমাত্র আদর্শ হচ্ছেন মুহাম্মদ (স.)। সমাজে জামায়াতের দায়িত্বশীলদের সাহাবায়ে কেরামের ন্যায় ঈমানের দৃঢ়তা নিয়ে দ্বীন কায়েমের দায়িত্ব পালন করতে হবে। প্রধান বিরোধী দল হিসেবে এখন জামায়াতের দায়িত্বশীলদের রাজনৈতিক ময়দানে যেমন যোগ্যতার সাথে ভূমিকা রাখতে হবে, তেমনি কথা ও কাজের মাধ্যমে জনগণের কাছে ব্যাপকভাবে দ্বীনের দাওয়াত পৌঁছে দিতে হবে। আমাদের মনে রাখতে হবে, একজন মুমীনের কাছে আখেরাতের সফলতাই হলো চুড়ান্ত সফলতা।
কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও বগুড়া মহানগর আমীর অধ্যক্ষ আবিদুর রহমান সোহেলের সভাপতিত্বে ও তারবিয়াত সেক্রেটারী অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাকের পরিচালনায় রুকন শিক্ষাশিবির-২০২৬ অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি গোলাম রব্বানী, বগুড়া জেলা আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হক সরকার, ব্যারিষ্টার নাজিব মোমেন এম পি, ডা. ফজলুর রহমান সাঈদ এম পি, কেন্দ্রীয় শিক্ষা বিভাগের সদস্য অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল আজিজ, তালিমুল কুরআন ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় প্যানেল ওস্তাজ ক্বারী আব্দুল্লাহ আল মামুন।
কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন বলেন, জামায়াতে ইসলামীর কাছে মানুষের প্রত্যাশা অনেকে বেশি, দেশের জনগণ জামায়াতে ইসলামীকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায়। জনগণের কাছে জামায়াতে ইসলামীর রুকনদের ময়দান পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিতে হবে এবং সমাজের জন্য কাংক্ষিত নেতৃত্ব তৈরি করতে হবে। জনগনের কাছে গিয়ে খোঁজ খবর নিতে হবে। বগুড়ায় এক সময় ৫ টি উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান সহ অনেক ইউনিয়নে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিল। জনগণ অধীর আগ্রহে বসে আছে জামায়াত প্রার্থীদের ভোট দেওয়ার জন্য।
গোলাম রব্বানী বলেন, জামায়াতের ১১ শীর্ষ নেতাকে শহীদ করে আন্দোলন দমিয়ে রাখা যাবেনা। শহীদ করলে নেতাকর্মীদের মাঝে কুরআনের কাজের প্রেরণা আরো বেড়ে যায়। কুরআনের জন্য শহীদের সন্তানরা এখন আমাদের মাঝে দ্বীনের দাওয়াত দিচ্ছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর নায়েবে আমীর মাওলানা আব্দুল হালিম বেগ, অধ্যাপক রফিকুল আলম, এ্যাড: আল আমিন, আজগর আলী, এ্যাড: মো: শাহিন মিয়া, মাওলানা আব্দুল হামিদ বেগ, অধ্যাপক আব্দুস সালাম তুহিন, মো: নিজাম উদ্দিন, হেদাইতুল ইসলাম, ইকবাল হোসেন, এ্যাড: নূরুল ইসলাম আকন্দ।