সারের সংকট নেই, পর্যাপ্ত মজুত আছে: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ: ২৬ অগাস্ট ২০২৬ ১৬:৪৩ ।
বগুড়ার খবর
পঠিত হয়েছে বার।

দেশে সারের কোনো সংকট নেই। ইউরিয়া, টিএসপি ও ডিএপি সারের পর্যাপ্ত মজুত সরকারের হাতে রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

 

 বুধবার দুপুরে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের মধ্যে হুইলচেয়ার, ছাত্রীদের মধ্যে বাইসাইকেল ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ফলজ, ঔষধি ও বনজ গাছের চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

 

প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত সোমবার মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় প্রধানমন্ত্রী কৃষি মন্ত্রণালয়কে সহযোগিতা করার জন্য তিন সদস্যের একটি কমিটি করে দিয়েছেন। সার বিতরণ নিয়ে ডিলারদের মধ্যে যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছিল, তা দূর করতে গতকাল একটি পরিপত্র জারি করা হয়েছে। এতে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, বর্তমানে দায়িত্বে থাকা ডিলাররাই পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সার উত্তোলন ও বিক্রির সঙ্গে যুক্ত থাকবেন। কোনো ডিলার বাতিল করা হচ্ছে না।

 

 

কৃষকদের অগ্রিম সার না কেনার আহ্বান জানিয়ে মীর শাহে আলম বলেন, আলু ও রবি শস্যের মৌসুম সামনে রেখে কিছু কৃষক আগাম টিএসপি ও ডিএপি সার কিনছেন। এ কারণে বাজারে একধরনের আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। কৃষকদের অগ্রিম সার কেনার প্রয়োজন নেই।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ইউরিয়া, টিএসপি ও ডিএপি সারের যে চাহিদা, তার পর্যাপ্ত মজুত সরকারের হাতে রয়েছে। দেশের ১৩৩টি গুদাম ও ৩৩টি বাফার গুদামে সার মজুত আছে। সারের কোনো সংকট নেই।’

 

তিনি আরও বলেন, কিছু কৃষক অগ্রিম সার কিনতে যাওয়ায় এবং দু-একজন ডিলার সময়মতো সার উত্তোলন ও বিতরণ না করায় সাময়িক সমস্যা তৈরি হয়েছিল। যেসব ডিলার সার উত্তোলন বা বিতরণে দেরি করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সরকারকে হেয় করার উদ্দেশ্যে বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ঘটেছে, সেসব ক্ষেত্রেও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

 

কৃষকদের আশ্বস্ত করে মীর শাহে আলম বলেন, বর্তমানে দায়িত্বে থাকা ডিলারদের মাধ্যমেই কৃষকেরা সার পাবেন। কোন ফসলের জন্য কখন কত সার প্রয়োজন, সে হিসাব সরকারের কাছে রয়েছে। চাহিদা অনুযায়ী যথাসময়ে ডিলার ও খুচরা ডিলারদের মাধ্যমে কৃষকদের কাছে সার পৌঁছে দেওয়া হবে।

 

অনুষ্ঠানে শিবগঞ্জ ও মোকামতলা উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

 

 

পরে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের হাতে ছাত্রীদের জন্য স্যানিটারি ন্যাপকিন তুলে দেন প্রতিমন্ত্রী। এ ছাড়া দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে ঢেউটিন ও আর্থিক সহায়তা বিতরণ করা হয়।