১০০ শতাংশ ভাতার আবেদন, মিলছে অর্ধেক; বগুড়ায় প্রশিক্ষণার্থীদের বিক্ষোভ

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৯:৩৪ ।
বগুড়ার খবর
পঠিত হয়েছে বার।

বগুড়ায় মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ কর্মসূচির নির্ধারিত ভাতার ৫০ শতাংশ দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছেন প্রশিক্ষণার্থীরা। তাঁদের অভিযোগ, প্রশিক্ষণের শুরুতে ১০০ শতাংশ ভাতা দেওয়ার আবেদনপত্রে স্বাক্ষর নেওয়া হলেও প্রায় তিন মাস পর এসে জানানো হয়েছে, আপাতত ভাতার অর্ধেক অর্থ দেওয়া হবে।

 

 

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) এপ্রিল-জুন মেয়াদের প্রশিক্ষণার্থীদের ভাতা দেওয়ার জন্য বগুড়া মহিলা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ডাকা হয়। সেখানে গিয়ে তাঁরা জানতে পারেন, মোট ভাতার ৫০ শতাংশ দেওয়া হবে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তাঁরা বিক্ষোভ করেন এবং বাকি ৫০ শতাংশ দ্রুত পরিশোধের দাবি জানান।

 

‘জীবিকায়নের জন্য মহিলাদের দক্ষতা ভিত্তিক (WTC) প্রশিক্ষণ’ কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন ট্রেডে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এসব নারী। প্রশিক্ষণার্থীদের ভাষ্য, প্রশিক্ষণ শেষে তাঁদের কাছ থেকে ৫ হাজার ৯০০ টাকা অথবা ৬ হাজার ৪০০ টাকা করে ১০০ শতাংশ ভাতা পাওয়ার আবেদনপত্রে স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছিল। প্রশিক্ষণ শেষ হওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে ভাতা দেওয়ার কথা থাকলেও তাঁদের প্রায় তিন মাস পর ভাতা নিতে ডাকা হয়েছে।

 

 

বুধবার তাঁদের জানানো হয়, যাঁদের মোট ভাতা ৫ হাজার ৯০০ টাকা, তাঁরা আপাতত পাবেন ২ হাজার ৯৫০ টাকা। আর ৬ হাজার ৪০০ টাকা ভাতার ক্ষেত্রে দেওয়া হবে ৩ হাজার ২০০ টাকা। বাকি ৫০ শতাংশ অর্থ পরে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়।

 

 

এতে প্রশিক্ষণার্থীরা প্রশ্ন তোলেন, ১০০ শতাংশ ভাতার আবেদনপত্রে স্বাক্ষর নেওয়ার পর কেন এখন অর্ধেক অর্থ দেওয়া হচ্ছে। তাঁরা দ্রুত বাকি অর্থ পরিশোধ করে প্রত্যেককে নির্ধারিত ৫ হাজার ৯০০ টাকা অথবা ৬ হাজার ৪০০ টাকা দেওয়ার দাবি জানান।

 

মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর বগুড়ার উপপরিচালক তাঞ্জিমা আক্তার বলেন, বর্তমানে মোট ভাতার ৫০ শতাংশ দেওয়ার বিষয়ে অধিদপ্তর থেকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। তবে প্রশিক্ষণার্থীদের কাছ থেকে ১০০ শতাংশ ভাতার জন্য স্বাক্ষর নেওয়ার পর ওই চিঠি পাওয়া যায়। এ কারণে ভুল–বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়েছে।

 

তিনি বলেন, অধিদপ্তর থেকে বাকি ৫০ শতাংশ অর্থ বরাদ্দ হয়ে এলে প্রশিক্ষণার্থীদের আবার ডেকে সেই অর্থ দেওয়া হবে। দ্রুত বকেয়া ৫০ শতাংশ ভাতা পাওয়ার জন্য তাঁরা চেষ্টা করছেন।