| প্রচ্ছদ

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে দফায় দফায় সংঘর্ষ

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে বার। প্রকাশ: ১৭ অক্টোবর ২০২০ ১৮:৩২:৩৪ ।

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযানে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। দু’দফা সময় দেয়ার পরও দোকানপাট সরিয়ে না নেয়ায় অভিযান শুরু করতে যায় প্রশাসন। এসময় আগ থেকেই অবস্থান নিয়ে ব্যবসায়ীরা বাধা দেয়।

এক পর্যায়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। পুলিশও লাঠিচার্জ ও টিয়ারশেল ব্যবহার করে। এ ঘটনায় আহত হন দুই সাংবাদিকসহ বেশ কয়েকজন। 

পুলিশ ও ব্যবসায়ীদের দফায় দফায় সংঘর্ষে রণক্ষেত্রে পরিণত হয় কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্ট।

সৈকতে অবৈধ উচ্ছেদ বাধা দিতে পুলিশের দিকে ইটপাটকেল ছোড়ে ব্যবসায়ীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে একপর্যায়ে পুলিশ লাঠিচার্জ করে, ব্যবহার করে টিয়ারশেল। এসময় সাংবাদিকসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। এসময় কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে পুলিশ।

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত রক্ষায় অবৈধ দোকানপাট সরাতে প্রথমে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সময় বেধে দেয় প্রশাসন। ব্যবসায়ীদের দাবির মুখে আরো একদিন সময় বাড়ানো হয়। বেধে দেয়া সময় শেষ হওয়ায় শনিবার দুপুরে কক্সবাজারের সুগন্ধা পয়েন্টের ৫২ টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে নামে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন ও কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। এসময় কাফনের কাপড় পরে বুলডোজারের সামনে দাঁড়ায় ব্যবসায়ীরা। মাটিতে লুটিয়ে পড়েন অনেকে । কোনো অবস্থাতেই স্থাপনা উচ্ছেদ করতে না দেয়ার লক্ষে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে তারা।

ব্যবসায়ীদের দাবি, পুনর্বাসন না করে এই অভিযান প্রায় ৫ হাজার পরিবার বেকারত্বের দিকে ঠেলে দিবে।

থমথমে পরিস্থিতির মধ্যে বিকেল ৪টার দিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান কক্সবাজারের পৌর মেয়র মুজিবর রহমান।

গত ১ অক্টোবর হাইকোর্টের করা রুল ও স্থগিতাদেশ খারিজ করে দেয় আদালত। এরই পরিপ্রেক্ষিতে আপিল বিভাগের নির্দেশ পালনে উচ্ছেদ অভিযানে নামে জেলা প্রশাসন ও কক্সবাজার উন্নয়নসহ পুলিশ প্রশাসন।

মন্তব্য