| প্রচ্ছদ

২১ শতাংশ ভোটের দিনে জিতলেন সাদ

পুণ্ড্রকথা ডেস্ক
পঠিত হয়েছে ১১৪ বার। প্রকাশ: ০৫ অক্টোবর ২০১৯ ।

রংপুর-৩ উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষে জাতীয় পার্টি ও মহাজোট প্রার্থী প্রয়াত সাবেক প্রেসিডেন্ট হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ছেলে রাহগির আলমাহি সাদ এরশাদকে (সাদ এরশাদ) বেসরকারিভাবে জয়ী ঘোষণা করা হয়েছে।

শনিবার বিকেল সাড়ে ৬টার দিকে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে রংপুরের পুলিশ হলে বেসরকারিভাবে এই ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

প্রায় সাড়ে চার লাখ ভোটারের এই আসনে পুরো ভোটগ্রহণ হয় ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম); যাতে ভোট গণনার পর ফল ঘোষণা দ্রুত সম্ভব হয়েছে বলে জানান রিটার্নিং কর্মকর্তা সাহতাব।

এদিন ভোট পড়েছে ২১ দশমিক ৩১ শতাংশ।

চূড়ান্ত ফলাফলে ৫৮৮৭৮ ভোট পেয়ে লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী সাদ এরশাদ। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রিটা রহমান পেয়েছেন ১৬৯৪৭ ভোট। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী এরশাদের ভাতিজা হোসেন মকবুল শাহরিয়ার আসিফ পেয়েছেন ১৪৯৮৪ ভোট। এবার প্রদত্ত ভোট ২১ দশমিক ৩১ শতাংশ।

এ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রিটা রহমান ধানের শীষ প্রতীক, স্বতন্ত্র প্রার্থী এরশাদের ভাতিজা হোসেন মকবুল শাহরিয়ার আসিফ মোটরগাড়ি, এনপিপির শফিউল আলম আম প্রতীক, গণফ্রন্টের কাজী শহীদুল্লাহ মাছ প্রতীক এবং খেলাফত মজলিশের তৌহিদুর রহমান মণ্ডল দেয়াল ঘড়ি প্রতীক নিয়ে লড়েছেন।

রংপুর সদর উপজেলা ও সিটি করপোরেশন নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট ভোটার চার লাখ ৪২ হাজার ৭২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার দুই লাখ ২১ হাজার ৩১০ জন এবং নারী ভোটার দুই লাখ ২০ হাজার ৭৬২ জন।

উল্লেখ্য, এ আসনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১ লাখ ৪২ হাজার ৯২৬ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছিলেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী রিটা রহমান পেয়েছিলেন ৫৩ হাজার ৮৯ ভোট। ভোট পড়েছিল ৫২ দশমিক ৩১ শতাংশ।

এইচএম এরশাদ গত ১৪ জুলাই চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে মারা যান। তার পরিপ্রেক্ষিতে সংসদ সচিবালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) আ. ই. ম গোলাম কিবরিয়া ১৬ জুলাই রংপুর-৩ আসনটি শূন্য হওয়ার গেজেট প্রকাশ করেন। পরবর্তীতে ১ সেপ্টেম্বর উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে কমিশন।

মন্তব্য