উত্তরবঙ্গের স্বনামধন্য হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক মনু ডাক্তার আর নেই

পুণ্ড্রকথা রিপোর্ট
প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২০ ১৬:৩৬ ।
প্রচ্ছদ
পঠিত হয়েছে ৯৯৮ বার।

বগুড়ার বিশিষ্ট হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক সৈয়দ আমির আহম্মেদ (মনু) রোববার সকাল ১১টায় বার্ধক্যজনিত কারনে নিজ বাসভবনে মৃত্যুবরণ করেছেন (ইন্নানিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজেউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর। 
বগুড়া তথা উত্তরবঙ্গের হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা জগতে তিনি 'মনু ডাক্তার' নামেই সর্বাধিক পরিচিত ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ৩ ছেলে ও ১ মেয়েসহ অসংখ্য গুণাগ্রাহী রেখে গেছেন।
"মনু ডাক্তার" ১৯৩৫ সালের ১০ জানুয়ারী মালতীনগর কেন্দ্রিয় পূজামন্ডপ লেনের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করেন। তার পিতা অবসরপ্রাপ্ত সাব রেজিষ্টার সৈয়দ আবুল মোতাহার হোসেন নিজেও একজন হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক ছিলেন। পড়ালেখা শেষ করে আমির আহম্মেদ মনু পিতার মত চিকিৎসা পেশায় মনোনিবেশ করেন এবং পরবর্তীতে একজন সফল ও স্বনামধন্য হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হন।
মালতীনগর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠের সাধারণ সম্পাদক মোঃ শহীদুল ইসলামের ফেসবুক ষ্ট্যাটাস থেকে জানা যায়, মনু ডাক্তারের পরিবার বংশ পরম্পরায় ছিলেন অত্যন্ত দানশীল ও ধার্মিক প্রকৃতির। তার পিতার ঐকান্তিক প্রচেষ্টাতেই ১৯৫৫ সালে মালতীনগর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠ প্রতিষ্ঠিত হয়। সেইসময় মাঠের ৩৬ শতক জমির মূল্য বাবদ তার পিতা সৈয়দ আবুল মোতাহার হোসেন একহাজার টাকা দান করেছিলেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মনু ডাক্তারও ওই ঈদগাহ কমিটির উপদেষ্টা হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।      
অসুস্থ্যতার জন্য বেশ কিছুদিন যাবত তিনি রোগী দেখা থেকে বিরত ছিলেন। চেম্বার করছিলেন তার ছেলে সৈয়দ শাকিল আহম্মেদ। শাকিল আহম্মেদ নিজেও একজন হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক এবং মালতীনগর ঈদগাহ মাঠের সদস্য।   
শহীদুল ইসলাম আরও জানান, রোববার বাদ আসর মালতীনগর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে এলাকাবাসীর অত্যন্ত প্রিয় মানুষ "মনু ডাক্তার" এর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। দাফন হয় দক্ষিণ বগুড়া গোরস্থান ভাই পাগলা মাজারে। তার জানাজায় এলাকার শত শত লোক জমায়েত হন বলে তিনি জানান।

পুণ্ড্রকথা/জাআ